মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
পার্থ সারথি চক্রবর্তী-র কবিতা
মধুছন্দা মিত্র ঘোষ-এর কবিতা
দেবজিৎ দে-র কবিতা
প্রশান্ত মাইতি-র কবিতা
আশিসরঞ্জন নাথ-এর কবিতা
অমিতাভ দাস-এর কবিতা
বেদনাপুর
কুশল মৈত্র-এর কবিতা
রূপকথার মতো আমাদের শহর
হেসে কথা বলে আনমনে —
আকাশ সুর তোলে পাখিরা করে খেলা
হাসিভরা শিশুর দল
ফুলের মতো দোলে।
আমাদের শহর আজ কংক্রিটে মোড়া
ধোঁয়ায় আমরা মুখোশ পানে
স্বপ্ন টাঙানো স্মৃতি অ্যালবামে
বাড়ন্ত গাছেদের চোখে জল
বিপথগামী দূরত্ব
সাইরেন বেজে ওঠে —
আমরা শান্তভাবে পোষ্য জীব হয়ে
বেঁচে রয়েছি এখনো, একাকী।
কথা বলে না
গন্তব্য বলে কিছু থাকে না
পায়ে পায়ে রাস্তা বড় হতে থাকে
ঘড়ির সময় সন্ন্যাসী গুহায় আবদ্ধ।
কানে কানে মানুষের কথা বলি
চোখে মানুষ তেমন নজরে আসে না।
মূর্তি তৈরী হয়, বাজারে বিক্রি হয়
মানুষ বিক্রি কি, হয় এখন?
হাঁটতে হাঁটতে ফাঁকা রাস্তায়
অন্ধকার দেখি — সেখানে ছায়ারা
ঘিরে ধরে আমায়
আমি স্ক্রীনশট দিয়ে রাখি
আগামীকে বোঝাবো বলে —
আমার ছবি তাতে ধরা পড়ে না।
খবর ঠিকই বিক্রি হয়ে গেছে
ভাইরাল হবে নতুন সূর্য উঠলে
ফ্রন্ট পেজ ধরে আমি তখনও
হেঁটেই যাব —
গন্তব্য পৌঁছেছি কিনা আমার;
আমি শরীরটা তা ভুলেও যেন
কেউ বলবে না!
সৃশর্মিষ্ঠা-র কবিতা
শান্তনু গঙ্গারিডি-র কবিতা
সুমিত্রা পাল-এর কবিতা
হেরে যাই
বারে বারে হেরে যাই,
অনুসরণ করি তাও-তত্ত্ব
যা ঘটছে তা ঘটে যেতে দিই।
দগ্ধ দীর্ঘবেলায় এখন মেঘমল্লারের তান...
ভরতপুরের ঝিল জুড়ে
সাইবেরিয়ার সারসের রঙিন বাহার,
ভানগড়ের পরিত্যক্ত দুর্গ প্রাসাদে আর নেই
দীর্ঘশ্বাসের ভার।
বর্ষাফলক উঁচিয়ে নীল ঘোড়ার সওয়ার,
শেষ বিকেলের আলোয় লিখে রাখে
স্বভিমানের নতুন অধ্যায়!
ইতিহাস থেকে সমসাময়িক কাল
আমাকে করে ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার।
ধরে রেখেছি তাই, বিজয় নিশান।
রিতম রিত-এর কবিতা
হরমোন ল্যাব
যে দরজা সয়ংক্রিয়
তাকে তুমি ইচ্ছাকৃত টেনে রেখো না।
ও বাফার-বালক
ছেড়ে দাও, যেতে দাও অন্তিম সীমায়
যেটুকু তোমার সীমা, নিঃস্ব যাপন
নিজেকে ভাঙতে পারও— ভাঙ্গো
আর প্রণয়-প্রবণতা ছেড়ে
যাও,
রেখে এসো প্রাণরস
কাচের দরজা টেনে, ও ঘরে, হরমোন ল্যাবে
যে ঘরে পিপেট নিয়ে
বসে আছে, আমাদের মেহনতি এলাইজা গার্ল।
শিবালোক দাস-এর কবিতা
মিলিয়ে যায় সমস্ত দৃশ্য
অলক জানা-র কবিতা
কবেই ফেলে এসেছি বর্ণপরিচয় শেখার ক্লাস
সারাদিন সতর্কতার মধ্যেও কিছু ভুল বেশ পীড়িত করে, আরো কত বড়ো হলে ভুল বিদায় নেয়? যতক্ষণ ভাবছি, সেই মুহূর্তে নির্ভুল শব্দটি এক পলক দেখে নেয়, চোখে জল?
চলনে ভুল? দৃষ্টি ও জীবনের জন্য সুখকর এইসব মিথ কেবল বর্ণপরিচয় জানে।
স্পর্শ
দেখা হবে এই প্রত্যাশায়
অপেক্ষার বয়স এখন বছর শেষের চৈত্রসেল
সময়ের এই দীর্ঘ পরিবার ঠেলে
প্রিয় সাক্ষাতের জন্য প্রহরপাঠ
ভুলভাল ছেলেমানুষি? মোটেও না
অনুভূতিহীন স্পর্শকে প্রণয় ভেবে যারা












