শ্রীমহাদেব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শ্রীমহাদেব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

শ্রীমহাদেব-এর কবিতা


শীতঘুম

ট্রেনটি অনেকগুলো স্টেশন পেরিয়ে গেল,
বর্ষার বন্যা, শরতের রোদ, হেমন্তের হাহাকার,
বসন্তের নীরবতা, হৃদয়পুরের সমস্ত স্টেশন ছাড়িয়ে অরণ্য সমাচার।

 গর্তের গভীরে সাপ রেখে আসে ওম, ঘুমন্ত বিছানায় চুরি যাওয়া স্রোত, 
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায়  সন্তান থাকে দুধে ভাতে।

সবার হাতে হাতে সেল ফোন, তবু শীতের র‍্যাপার  মখমল হতে পারেনি কখনও।

 

শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২২

শ্রীমহাদেব-এর কবিতা

ভয়

 

রক্তমাংসের মানুষেরই যত ভয়,

কই দেওয়ালের তো ভয় করে না

দিব্যি তার উপর বুলডোজার চলে যায়

কাকেদেরও ভয় নেই,

চাতুরি সত্বেও।


প্রেমে পড়লে ভয়

প্রেম না পেলে ভয়

গাছেরা তবু ভয়ডর হীন

ঝর্ণার জলে তারা ফুল ছড়িয়ে দেয়

ঘ্রাণ ছড়িয়ে দেয় বিষ বাতাসে

রোদ তার সমস্ত উত্তাপ নিংড়ে 

তির্যক আলোয় পোয়াতি সাজে

সে অকুতোভয়।


ভয় কবে সঙ্গ ছেড়ে যাবে

জানা নেই ,

ভয় পথ ভুল করে ঠিকানা হারালে

স্বস্তিসুখ কিশলয় ঘাসে 

এক কাপ চায়ের সঙ্গে মুখশুদ্ধি চাইবে।

 

শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১

শ্রীমহাদেব-এর কবিতা


 পাখি

পাখি উড়ছে,

অন্ধকার থেকে আলোর পথে

উড়ছেবাতিদান থেকে বিচ্ছুরিত আলো 

খসে পড়ছে ডানার উপরে

উড়ছে ,পাখি উড়ছে


থামবে না তার স্বপ্নের উড়ান

জলে অথবা অন্তরীক্ষে

বিষাক্ত বাতাস আলো শুষে নিলে 

ঘুম কেড়ে নিলে জেগে থাকবে চোখ


অসময়ে পাখির ঘুম ভাঙিয়ে দিলে

শক্ত সুচারু ঠোঁটে অন্ধকার ফালা ফালা করে

উড়িয়ে আনবে লাল নিশান

যা সমস্ত দেবতাদের মন্দিরের শীর্ষ চূড়ায় শোভা পাবে। 

 

বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

শ্রীমহাদেব-এর কবিতা


 দোতারা

শব্দগুলো জমাট বাঁধতে চায়,তবু

কিছুতেই বুক থেকে পাথর সরেনা 

নপুংসক মন শিরদাঁড়াহীন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে 


শ্রাবণ গলেছে ,গিলে নিচ্ছে প্রাথমিক স্কুল

ঘন্টাদের  শব্দ আলো ডেকে আনে

তবু আগাছা কিছুতেই ছেড়ে যায় না


আমাদের মন ছিল,

মনভাঙা ছায়া ছিল

ছায়াদের শরীর মাড়িয়ে 

এগিয়ে যাবার সাহস ছিল,

আজও সময় ধরবো বলে দাঁড়িয়ে আছি

এক বুকগলা জলে,

মিথ্যে আশ্বাস দিইনি 

সংস্কার অথবা প্রবাদ তাদের নিজের মতোই বেজে গ্যাছে প্রাচীন তালে

 


আজ সমস্ত উত্তাপ শুষে নিচ্ছে বিষ মায়া

প্লাস্টিক

প্রাচীন মুখোশ থামিয়ে দিয়েছে তার প্রবাহ,

মত বদলে চলো আবারও বেরিয়ে পড়া যাক।