মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
শুক্রবার, ২ জুন, ২০২৩
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
সংশয়
ঘামে ভেজা উপুড়চুপুড় শরীর
সে তো আমার ,ঘামের গন্ধ নিতে
কেন সংশয়? উদাসীন ইশারায়
নিকটও চলে যায় দূরে বহুদূরে
বুঝি এই সব মায়া ছলনা
ক্ষোভে দু:খে জাগে অভিমান
রাখো তার পিঠে প্রসারিত হাত
বাজুক,বেজে উঠুক ঠাকুরের গান।
সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
উদাসী আলো
ভেঙে ফেলে ঝুঁকে ঝুঁকে হাঁটা
অভ্যাস হয়ে গেছে।
নিঃশ্বাসে আত্মনির্ভর
উত্তাপ হারিয়ে গেছে কবেই।
পড়ন্ত বিকেলে এখন
ছায়ার মাখামাখি খেলা
মাঝে মাঝে আলোর বিন্দু
মুচকি হেসে দেখা করে যায়
ভীড় ঠেলে এগিয়ে যাওয়া
হয় না, সকালের দিকে।
দাঁড়িয়ে থাকা অপেক্ষায়
আগামী সংকেতের।
শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
লিমেরিক
বিবর্ণ পাতাদের গায়ে থাকে অবসাদ
ঝড় আনে শব্দ মাখা পতনের সংবাদ
আকুতি বৃথাই যায়
শূন্যে দিশা হাতরায়
ইতিহাসে লেখা থাকে অব্যক্ত বিষাদ।
বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
বিলম্বিত রোদ্দুর
অনেক স্বপ্ন বিলিয়েছি সেই
ছবিটা কিনতে। আলোর
পৃথিবীর জন্য মুঠো করে ধরে রাখা
চাতকের প্রহর গুলো । উজ্জ্বল হয়ে ওঠার
লোভ পিছনে অষ্টপ্রহর খামচে ধরে,
পকেটের কোণে লুকিয়ে রাখা
বিপন্ন সময় । হারিয়ে যাওয়া বাতাস
ফিরে আসে বৈচিত্র্যময় কর্মসূচি নিয়ে।
সোনালি রঙের আভা ছড়িয়ে যাচ্ছে
বিকেলের দিকচক্রবালে ।
একটু একটু করে মুঠোয় ধরছি
না পাওয়া রোদ্দুর ।
রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
জীবনহ্যাঙ্গারে ঝুলছে জীবন,
মৃদুমন্দ হাওয়ায়
দোল খায় এদিক-ওদিক
হাওয়ার গতিবেগে ভাঙে,
ভেঙে ভেঙে যায়
আন্দোলিত পরিপাটি
ত্রস্ত পদক্ষেপে শশব্যস্ত দু'টি হাত
মোচড়ানো ভাঁজ মসৃণ করতে
ব্যাকুল নির্বিষ চাহনিতে
নিরীক্ষণ করি
সাবলীল পেরেক।
আগামীর সম্ভাবনায় থামিয়ে রাখে
বিহ্বল শ্বাস-প্রশ্বাস।
বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
তাপস কুমার চট্টরাজ-এর কবিতা
অন্য পরশ
এটা সেই হাত , নিশ্চিন্তে ধরা যায়।
পেলব মসৃন আরোগ্য মেশা
অনুভূতি ঘিরে থাকে প্রসন্ন সকালের মত।
কেটে যাওয়া দাগের উপর আলতো করে
খাওয়া চুম্বন , এলোমেলো চুলের মাঝে
বুলিয়ে যায় কোমল পরশ। খাপছাড়া উদ্বেগ
এক নিমেষে স্রোতহীন শান্ত নদীর মত
কুলকুল শব্দ করে।
হৃদয়ের সবটুকু জমা রেখে অনায়াসে
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বিশ্রাম ।
আঁচলের প্রান্তদেশে ললাটের স্বেদ
খোঁজে আশ্রয় । চিবুকে প্রশান্তি ফুটে ওঠে
সেই স্নেহের ছোঁয়ায় ।
এটা সেই আশ্চর্য হাত।







