ধারাবিবরণী
মনে পড়বার কথা নয় তবুও তোমাকে মনে
জাহাজের বাঁশি বেজে উঠলো আর আবডাল থেকে
টানা বৃষ্টি ও জিপগাড়ি।
কেদারায় শুয়ে আরাম করি বলেই তো
মায়া ও ছায়ার এই দুপুর।
খসে পড়া গাছের পাতা নির্জনতার জন্ম
কলাগাছের ভেলায় ভেসে আসে মাটির
পুতুল সাজিয়ে রাখি।
পুতুলের ঠোঁটে নীল রং।
পুতুলের পৃথিবীতে অকারণ বেলুন
গঞ্জদেশের বিকেল।
নদীতে মাছরাঙা,হলদিয়া কত পাখি।
গামছা মাথায় হেঁটে যেতে থাকে অচেনা কোন
আস্ত একটা জীবন কেবল কান্না লিখলাম।
পাখির ডিম নিয়ে দৌড়ে পালানো ইঁদুরের দৌড়
সম্পর্কের গল্প।
সার্কাসের তাঁবুর পাশে শুন্যতা।
শূন্যতাকে ঘিরে রাখা যে আলো তাকে নিয়ে ইজেলে
যতদূর চোখ যায় ততদূর ঝোপঝঙ্গল।
ফকিরের জিন কুপির আলোয় নিজেকে
আসা ও যাওয়ার এই নদীঘাট।
মাঝি ও নৌকোর এই নদীঘাট।
আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে ডিমের
মৃত পাখির পালক দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে
আচ্ছা,ভাঙা নখের বিবরণী শুনে কি করবো!
শিরোনাম বদলে দিয়ে ভুল বানানের এই শহরে
আঙুলে বিবাহের আংটি।
গানের ভেতর ইদানিং বিরহের বাতাস।
ঘাসবনের মধ্যে নিঃসঙ্গ খরগোশ।
শরীরে পতাকার ছায়া।
জলাভূমির পাশে মহিষের ম্যাজিক।
পুরোন গল্পের গ্রামে বৃষ্টি নামে
চিরাগ আর চিরুনি দিয়ে লিখতে শুরু করি নুতন এক

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন