উমাপদ কর-এর কবিতা
আমাদের কোনও কথা থাকতে পারে না
রোদে শুকোতে দেওয়া ডিসেম্বরের বড়ি আমরা
ছুঁচলো মুখ, নিশ্চুপ, অজস্র কান, শুনছি
বাতসের শনৈ-শনৈ, আর অন্ধ আমরা দেখছি
কিছু অন্ধের জিভ থেকে লালা গড়াতে…
আমাদের কোনও কথা থাকতে পারে না
আমরা বনভোজনের শালপাতা, বানানো গোল
গেঁথে-গেঁথে, আগুন ও সরঞ্জামের সংঘর্ষ
দেখতে-দেখতে কিছুটা গরম অনুভব করা মাত্র
আমাদের ভিজিয়ে দিয়ে সব কথা নিবিয়ে দিলে
আমাদের কোনও কথা থাকতে পারে না
থাকলেও তা শোনার কোনও রেওয়াজ নেই।
২৮-১২-২০২৫
শীতের পরীক্ষার খাতায় আমি খুব
বেশি নম্বর কিছু দেব না —
সে যতই ভালো লিখুক তার বর্তমান
আর আশু ভবিষ্যৎ
পাতা ঝরিয়ে দেয়, এটা বড়ো কারণ নয়
ঘুমিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে বেশিক্ষণ, তাও নয়
অতিরিক্ত অম্লক্ষরণ ঘটায়— এসব কোনও ইস্যু
হতে পারে না —
আমি পরীক্ষক, আমার ইচ্ছে, আমি পাসমার্ক দেব না
আমার ওপরেও কোনও এক পরীক্ষক থাকতে পারেন
আমি তাঁকে ম্যানেজ করব নিজের ভাগ থেকে দিয়ে
অন্যান্য ঋতুগুলি এ-বাবদ আমাকে যা দিয়েছে
তার সামান্য শতাংশ রেখে, বাকি শতাংশ
দেব উচ্চকে, যাকে সুপ্রিম বললে তোমরা রাগ করবে না
৩০-১২-২০২৫

একেবারেই অন্য রকম লেখা। সম সময় অথবা আবহমান এখানে মিশে যায়, সার্থক কবিতা কি সে জ্ঞান আমার নেই। তবে এই কবিতা আমার স্পর্শ করছে এই সময়ের মতই
উত্তরমুছুন