আদিগন্ত
রেহড়িওয়ালা, পটরিওয়ালা-র চোখ ছড়িয়ে থাকে আদিগন্ত।
অসংখ্য খাদ্যসামগ্রী যা সাধারণ কিন্তু বেঁচে থাকার সহায়।
অতিথিগৃহে পদার্পণ করেই মনে পড়ে আপনঘরের কথা। কেউ
কি অপেক্ষায় আছে! তবে মোবাইল-এ নয়, টেলিফোন-বুথে
কিছুক্ষণ কথা বলার অবকাশ খুঁজে নিতে হবে এখন। গাড়ি
তো দাঁড়িয়েই আছে কাছে।
ভয়ংকর ছড়িটি এগিয়ে আসছে দ্রুত। ছুটতে হবে এখন।
হাতে-হাত রেখে ‘রিং-আ-রিং-আ-রোজেস্…’
বৃত্তাকার সমাবেশে কখন যেন সকলে বসে পড়ি
‘অল্ ফল্ ডাউন’। হেসে গড়িয়ে পড়ছে শৈশব
এই তো সামনেই নরম ঘাসের কোলে —

কবিতাটি স্মৃতি, সময়, ঘরছাড়া মানুষের আবেগ এবং হারিয়ে যাওয়া শৈশবের এক মর্মস্পর্শী কোলাজ। এর চিত্রকল্প ও প্রতীক পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী অনুরণন সৃষ্টি করে। কবিতাটি অল্প পরিসরে স্মৃতি, যাত্রা, শৈশব এবং সময়ের প্রবাহকে একসূত্রে বেঁধেছেন
উত্তরমুছুনরেহড়িওয়ালা ও পটরিওয়ালার উপস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও ভ্রমণের বাস্তব পরিবেশকে তুলে ধরে। তাদের বিক্রি করা সাধারণ খাদ্যসামগ্রী জীবনের ন্যূনতম চাহিদার প্রতীক।
এরপর অতিথিগৃহ, টেলিফোন-বুথ ও অপেক্ষমাণ আপনজন— এই চিত্রগুলো মোবাইল-পূর্ব সময়ের নস্টালজিয়া ও প্রবাসী মানুষের ঘরমুখো মনকে প্রকাশ করে। এখানে অপেক্ষা, দূরত্ব ও যোগাযোগের মানবিক অনুভূতি প্রধান হয়ে ওঠে। অসাধারণ কবিতা ও তার প্রকাশ আবদুস সালাম
, আপনার "আদিগন্ত" শীর্ষক কবিতাটি সত্যিই একটি ভালো কবিতা
উত্তরমুছুনআদিগন্ত -- সত্যিই এই ছোট্ট কবিতাটা যেন আ-দিগন্ত ছুঁয়ে গেছে। পুরোনো স্মৃতি, শৈশব মনে পড়ে গেল। টেলিফোন বুথ, ফেরিওয়ালা, অতিথিগৃহ সব ই পুরোনো স্মৃতি কেই জাগিয়ে তোলে। । কত অল্প কথায় কতো কিছু বলে দিলি। ভীষণ ভালো লাগলো। 👌🏻👌🏻👌🏻
উত্তরমুছুন