বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩

রন্তিদেব সরকার-এর কবিতা

অভিবাসন

তুমি আছো একাকী,  স্বেচ্ছাবাসনে
বিজন নিরিবিলির এক শান্ত সৈকতে। 
হয়ত কোনো আপাতকারণ নেই, তবু
থাকো এক সামুরাই যোদ্ধার অবিচলে;
এক দূরদ্বীপবাসিনীর মত, স্বজনহীনা;
খুঁজে বেড়াও কোন সে অচিন ঠিকানা।

উপরিভাগের ঢেউয়ের গর্জন, দাপাদাপি 
যেমন ছুতে পারেনা সমুদ্রতলের প্রশান্তিকে
তেমনই হয়ত তোমার সন্তর্পণ গোপনে
লুকিয়ে আছে কোন অটল ভীষ্মপণ
অথবা কোনো হৃদয়বিদারী তীব্র অভিমান,
কিছুতেই যা আমি পড়ে উঠতে পারি না।

 

৩টি মন্তব্য:

  1. কবি-কল্পনায় এমনটাও হতে পারে :আমার ভিতরে আছে যে জন-খুঁজে বেড়ায় প্রশান্তি,খুঁজে বেড়ায় আলো,পেতে চায় মুক্তি,যেতে চায় কাঙ্খিত আনন্দ-ধামে ! কিন্তু কবি সেই বড়-আমির সন্ধান শত চেষ্টাতেও না পাওয়ার বেদনায় আর্ত হচ্ছেন ৷ সেই বেদনা-ভাসই কবিতাটির মধ্যে প্রচ্ছন্ন রয়েছে ৷

    উত্তরমুছুন
  2. তবে তা কবির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যাকে দূর থেকে দেখে, তার উদ্দেশেই নিবেদিত৷ যার এমন একাকিনী থাকার রহস্যভেদ করার চেষ্টা করেছেন স্বগত প্রয়াসে।

    উত্তরমুছুন
  3. কবিতা হচ্ছে প্রতিমার মুখ ৷সার্থক রচনা সেটাই যা বহু মাত্রিক এবং তার হৃদয় ছুঁতে হলে কবিকে সম্যক ভাবে জানতে হবে অথবা কবির সান্নিধ্যে গিয়ে সম্ভব হলে আলোচনা করতে হবে ৷

    উত্তরমুছুন